spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

বাংলাদেশের তৈরি হলো সাউথ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ওয়াটার পার্ক মানা বে

ইউরোপ কিংবা মালদ্বীপ নয়,বাংলাদেশেই তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ওয়াটার অ্যামেজমেন্ট পার্ক।  ইতিমধ্যে বেশ সাড়া জাগানো বাংলাদেশের বড় অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ‘মানা বে’।

গত বাইশে সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকাল ১১:৩০ টার দিকে উদ্বোধন হল বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম ওয়াটার পার্ক ‘মানা বে’র। এটি এশিয়ার মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অ্যামিউজমেন্ট ওয়াটার পার্ক। 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত এ পার্কটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে। ওপেনিং প্যারেড, ওয়ারিয়র ড্যান্স, হাক্কা ড্যান্স ও স্টিল্ট ওয়াকিং পারফরম্যান্সসহ একটি প্রাণবন্ত কার্নিভালের আয়োজন করা হয়।

সৌন্দর্য এবং আধুনিকতায় ভরপুর এই পার্কটি প্রায় ৬০ হাজার স্কয়ার মিটার বিস্তৃত। ইতিমধ্যে নজর কেড়েছে ভ্রমণপিপাসু এবং কৌতুহলী মানুষদের।পার্কটিতে রয়েছে সব বয়সী মানুষের জন্য বৈচিত্র্যময় আয়োজন। আন্তর্জাতিক মানের এই ওয়াটার পার্ক এ রয়েছে  রয়েছে তিনটি ওয়াটার স্লাইড ট্যুর, একটি ওয়েভ পুল, ফ্লোরাইডার, ডাবল, বাচ্চাদের জন্য একটি আলাদা জোন, একটি কৃত্রিম নদীসহ নানা সুবিধা।

‘মানা বে’ ওয়াটার পার্কে কিভাবে যাবেন, টিকেট ফি,খরচ কত ইত্যাদি সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন এই আর্টিকেলটিতে। 

যেভাবে যাবেন ‘মানা বে’ পার্কটিতে।

ঢাকা বা চট্টগ্রাম থেকে খুব সহজেই মানা বে ওয়াটার পার্কটিতে যাওয়া যাবে। মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত অর্থাৎ  ঢাকা- চট্টগ্রাম হাইওয়ের পাশেই ঢাকা থেকে যাবার পথে মেঘনা ব্রিজের পরেই এর অবস্থান। ঢাকা থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। 

ঢাকা থেকে বাসে বা নিজস্ব গাড়িতে করে যাওয়া সম্ভব এবং দেশের যেকোন স্থান থেকে বাসে আসা যাবে।মানা বে ওয়াটার পার্কটিতে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা আছে।

‘মানা বে’ এর প্রবেশ টিকেট মূল্য।

বড়দের টিকেট মূল্য

৬ হাজার টাকা (উচ্চতা ৪ ফুটের উপরে)

শিশুদের টিকেট মূল্য:

৩ হাজার টাকা (৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতা)

তিন ফুট উচ্চতা নিচের শিশুদের প্রবেশে টিকিটের প্রয়োজন নেই। 

টিকেটেই সকল রাইডের ফি সহ মূল্য নির্ধারিত অর্থাৎ  আলাদাভাবে রাইডের জন্যে টিকেট কাটতে হবেনা। পার্কে প্রবেশের পর সারাদিন এর জন্যেই ১৭টি রাইড ফ্রি থাকবে ।

তবে টিকেটের সাথে খাবার খরচ অন্তর্ভুক্ত নয়। পার্কে বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট আছে যেখান থেকে খাবার কিনে নিতে পারবেন।

টিকেট সংগ্রহ।

এর টিকিট গুলশান অফিস থেকে অগ্রিম টিকেট ক্রয় করা সম্ভব। পার্কটির টিকেট অন স্পটে গিয়ে কিনে নিতে পারবেন। এছাড়াও ‘মানা বে’ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে অনলাইনে টিকিট কিনে নিতে পারবেন। www.manabay.com

পার্কের সময়সূচী।

‘মানা বে’ ওয়াটার পার্ক প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শুক্রবার, শনিবার ও সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

বর্তমানে ‘মানা বে’ ওয়াটার পার্কে প্রবেশের কোন অফার বা ডিসকাউন্ট প্রাইস নেই। তবে ৫০ জনের অধিক কিংবা কর্পোরেট বুকিং এর ক্ষেত্রে কিছু ডিসকাউন্ট এর সুবিধা রয়েছে। 

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article

বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটের সম্ভাবনা

লেখকঃ মালিহা মেহেজাবিন ফ্রিল্যান্সিং কী? ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন একটি কাজের পদ্ধতি যেখানে একজন ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী চাকরি না করে স্বাধীনভাবে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য কাজ...

ব্যবসায় ঝুঁকি কমানোর কার্যকর কৌশল, সফল উদ্যোক্তারা যেভাবে ঝুঁকি মোকাবিলা করেন

লিখেছেনঃ মীম আক্তার বর্তমান ব্যবসায়িক বিশ্বে ঝুঁকি ছাড়া সফলতা কল্পনা করা কঠিন। প্রচলিত একটি প্রবাদ রয়েছে— “No Risk, No Gain”। অর্থাৎ, ঝুঁকি না নিলে বড়...

স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসার সাতটি কার্যকরী কৌশল 

লিখেছেনঃ আনজুম নাহার নিসা  দেশের ব্যবসায়িক অঙ্গনে প্রতিবছর অসংখ্য স্টার্টআপ দেখতে পাওয়া যায়। তবে তার একটি বড় অংশ খুব কম সময়ের মধ্যেই ধসে যায়। এর...

ChatGPT ব্যবহারে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্ষমতা ৫৫% পর্যন্ত কমতে পারে: গবেষণা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) টুল যেমন ChatGPT ও Claude ব্যবহারের ফলে মানুষের স্মৃতি ও সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে নতুন...