লিখেছেনঃ রাহনুমা তাসনিম সুচি
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের অন্যতম অভিজ্ঞ ও সফল নির্বাহী মোঃ শফিউল আজমকে পুনরায় মধুমতি ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার নেতৃত্বে ব্যাংকটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও সুসংহত ও লক্ষ্যভিত্তিক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
দীর্ঘ ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা
মোঃ শফিউল আজম প্রথম মধুমতি ব্যাংকে যোগ দেন ২০১৪ সালে, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। দুই বছরের মধ্যে তার দক্ষ নেতৃত্ব, ব্যাংকিং কৌশলে পারদর্শিতা এবং সুনাম তাকে ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো এমডি ও সিইও পদে পৌঁছে দেয়। এরপর থেকে তিনি ব্যাংকের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
তার ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের শুরু ১৯৯১ সালে, যখন তিনি এবি ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ ৩৪ বছরের কর্মজীবনে তিনি একাধিক শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যবসায়িক উন্নয়ন, গ্রাহক সেবা, এবং ব্যাংকিং প্রযুক্তি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
নেতৃত্বের স্বীকৃতি ও অবদান
ব্যাংকিং খাতে তার অবদান কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—তিনি পুরো খাতের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তার নেতৃত্বে মধুমতি ব্যাংক ইতিমধ্যে গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবা, উদ্ভাবনী ব্যাংকিং প্রক্রিয়া এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। ব্যাংকটি দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণে তার নেতৃত্বে আরও এগিয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধুমতি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
পুনঃনিয়োগের মাধ্যমে মধুমতি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তাদের আস্থা ও প্রত্যাশা পুনর্ব্যক্ত করেছে। ব্যাংকটি ভবিষ্যতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ, গ্রাহক সেবার মানোন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে। শফিউল আজমের অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও পেশাদারিত্ব ব্যাংকটিকে আগামী দিনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলে সকলেই আশাবাদী।
তথ্যসূত্র
মধুমতি ব্যাংক পিএলসি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট



