spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

রাজস্ব বিরোধ মেটাতে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এডিআরে যেতে চায় সরকার

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

দ্য ডেইলি কর্পোরেট ডেস্ক

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২০২৬–২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ৪৫ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে বড় বেসরকারি কোম্পানি ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে আটকে থাকা বকেয়া রাজস্ব দ্রুত আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের রাজস্ব বিরোধগুলো বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর (Alternative Dispute Resolution)-এর মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা রাজস্বসংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির উপায় খুঁজতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গত দুই মাসে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনসহ (বিপিসি) বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আদালতে বিচারাধীন রাজস্বসংক্রান্ত মামলাগুলো এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তির সম্ভাবনা ও উপায় পর্যালোচনা করতে অর্থমন্ত্রী শিগগিরই অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রায় ৪৫ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বকেয়া পাওনা ও আইনি জটিলতায় আটকে থাকা রাজস্ব উদ্ধারের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্ভাব্য পথ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি মামলায় প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আইনি প্রক্রিয়ায় আটকে রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকার মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে চায় এবং এডিআরের মাধ্যমে বিষয়গুলো সমাধানে আগ্রহী যেকোনো পক্ষকে স্বাগত জানাবে।

তিনি বলেন, আদালতে বিচারাধীন রাজস্বসংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সব সম্ভাব্য পথ খুঁজে দেখাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

এনবিআরের বিরোধে আটকে ৯০,৮০০ কোটি টাকা

এনবিআর কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন আপিল ট্রাইব্যুনাল ও আদালতে বিচারাধীন ৩০ হাজারের বেশি মামলায় প্রায় ৯০ হাজার ৮০০ কোটি টাকার রাজস্ব আটকে রয়েছে।

এর মধ্যে আয়করসংক্রান্ত মামলায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, কাস্টমস বা শুল্কসংক্রান্ত মামলায় ২২ হাজার কোটি টাকা এবং ভ্যাটসংক্রান্ত মামলায় ৪৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা আটকে আছে। কিছু রাজস্ব বিরোধ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অমীমাংসিত রয়েছে।

২০২৫–২৬ অর্থবছরে সরকার ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করে। এর বিপরীতে ২০২৬–২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে, ১ জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল কার্যকর হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের প্রয়োজন হবে। এতে এনবিআরের ওপর রাজস্ব আদায় বাড়ানোর চাপ আরও বেড়েছে।

তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য গতি দেখা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর অন্যতম প্রধান উপায় হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার।

ব্যাংক, বিপিসি ও টেলিকম খাতে বড় রাজস্ব বিরোধ

এনবিআর কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, আয়করসংক্রান্ত মামলায় সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অমীমাংসিত রয়েছে। এ ছাড়া বিপিসির প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা, জনতা ব্যাংকের ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং রবি আজিয়াটার ভ্যাটসংক্রান্ত প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার বিরোধ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম জানান, কোম্পানিটি এখনো অর্থমন্ত্রী বা এনবিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেনি। তবে এ ধরনের একটি বৈঠকের পরিকল্পনার কথা তারা জানতে পেরেছেন।

তিনি বলেন, কোম্পানিটি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং দীর্ঘদিনের মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি চায়। ইতোমধ্যে এনবিআরকে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমস্যাগুলো সমাধানের অনুরোধ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কোম্পানির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এনবিআর রবির কাছে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা দাবি করেছে, যার বেশিরভাগই ভ্যাটসংক্রান্ত বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব বিরোধ বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

অন্যদিকে, বাংলালিংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি রাজস্ব জটিলতা নিয়ে আলোচনা করতে কোম্পানির একটি প্রতিনিধি দল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। অর্থমন্ত্রী বিষয়গুলো সমাধানের বিষয়ে ইতিবাচক ছিলেন বলেও জানান তিনি।

গ্রামীণফোন জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে রাজস্বসংক্রান্ত বিরোধগুলো বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। তবে সংবিধিবদ্ধ বা আইনি এডিআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধ সমাধানের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা যেতে পারে।

লিখিত প্রশ্নের জবাবে গ্রামীণফোন জানায়, দ্রুত, স্বচ্ছ ও আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ হিসেবে সংবিধিবদ্ধ এডিআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়গুলো নিষ্পত্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

গ্রামীণফোন তাদের মামলায় জড়িত অর্থের পরিমাণ প্রকাশ করেনি। তবে এনবিআর কর্মকর্তাদের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে রাজস্ব বিরোধের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা।

রাজস্বসংক্রান্ত বিরোধ যেভাবে সৃষ্টি হয়

আমদানি-রপ্তানি, স্থানীয় বিক্রি অথবা করদাতার রিটার্ন পরীক্ষার সময় কোনো অমিল বা অসঙ্গতি পাওয়া গেলে রাজস্বসংক্রান্ত আইনি বিরোধের সৃষ্টি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট পরিমাণ কর বা রাজস্ব দাবি করার আগে অডিট কিংবা নথিপত্র যাচাই করতে পারে। কোনো কোম্পানি বা করদাতা ওই দাবির সঙ্গে একমত না হলে আপিলের মাধ্যমে সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

উদাহরণ হিসেবে, কোনো আমদানিকারক একটি নির্দিষ্ট এইচএস কোডের আওতায় পণ্য ঘোষণা করতে পারেন। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তারা মনে করতে পারেন, পণ্যটি উচ্চ আমদানি করযুক্ত অন্য একটি এইচএস কোডের অধীনে শ্রেণিবদ্ধ হওয়া উচিত ছিল। এ ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত আমদানি কর দাবি করতে পারে এবং ভুল বা মিথ্যা ঘোষণার অভিযোগে জরিমানাও আরোপ করতে পারে।

এ ধরনের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষ প্রথমে এনবিআরের আপিল ট্রাইব্যুনালে যেতে পারে। ট্রাইব্যুনালের রায়ে সন্তুষ্ট না হলে পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরকারের রাজস্ব পরিশোধ বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে মামলা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার এনবিআর কর্মকর্তাদের অবাস্তব বা তথ্যগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ দাবির কারণেও রাজস্বসংক্রান্ত বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে।

চালুর পর থেকেই এডিআরে নানা বাধা

রাজস্বসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে গতি আনতে ২০১১–১২ অর্থবছরে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর ব্যবস্থা চালু করে এনবিআর। তবে চালুর পর থেকে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়নি।

এনবিআরের বাইরের বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল এডিআর মামলায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে। তবে সমঝোতায় পৌঁছাতে এনবিআর ও করদাতা—উভয় পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন।

অনেক ক্ষেত্রে এনবিআর কর্মকর্তারা সরকারের রাজস্ব মওকুফ বা কমানোর মতো সিদ্ধান্ত নিতে অনিচ্ছুক থাকেন। কারণ, এ ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে আইনি বা বিভাগীয় জটিলতার মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

এ ছাড়া, আইনি প্রশ্ন জড়িত থাকলে এডিআরের পরিধিও সীমিত হয়ে যায়। যেমন, আমদানিকৃত পণ্যের উপযুক্ত এইচএস কোড নির্ধারণ নিয়ে বিরোধ সাধারণত এডিআরের মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। এ ব্যবস্থা মূলত তথ্যগত বিরোধ নিষ্পত্তিতে বেশি কার্যকর। উদাহরণস্বরূপ, প্রদেয় রাজস্বের পরিমাণ কর কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে বেশি নাকি কম—এ ধরনের বিরোধ এডিআরের আওতায় আসতে পারে।

এনবিআরের ভ্যাট উইংয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বাস্তবে এডিআরের মাধ্যমে খুব কম ভ্যাটসংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর মতে, এডিআরের ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার না করা পর্যন্ত ব্যবস্থাটিকে কার্যকর করা কঠিন হবে।

এনবিআরের সাবেক সদস্য ও এডিআরের সাবেক মধ্যস্থতাকারী সৈয়দ মো. আমিনুল করিম বলেন, এডিআরের ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারণ হলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অঙ্গীকারের অভাব।

তিনি জানান, এডিআর সেশনে রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তারা ছাড় দিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। একই সঙ্গে, যিনি মূলত করের দাবি তুলেছিলেন, অনেক ক্ষেত্রে তাকেই এডিআর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাঠানো হতো। ফলে তিনি নিজের উত্থাপিত দাবির তুলনায় কম অর্থ গ্রহণে সম্মত হতে চাইতেন না।

আমিনুল করিমের মতে, এনবিআরের একটি নিবেদিত ও স্বতন্ত্র এডিআর প্যানেল থাকা উচিত ছিল।

তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা বা সরকারি নজরদারির আশঙ্কায় রাজস্ব মওকুফ বা ছাড় দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চান না। এডিআর আইন সংশোধনের আগে এসব সমস্যার বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের ঘটনার প্রভাব

২০২৩ সালে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর ও এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট-ভ্যাটের (এলটিইউ-ভ্যাট) মধ্যকার বিরোধ এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। এর মাধ্যমে সরকার কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে প্রায় ১৯০ কোটি টাকা ভ্যাট আদায় করতে সক্ষম হয়। তবে সমঝোতার অংশ হিসেবে কোম্পানিগুলোর প্রায় ১৫২ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করা হয়েছিল।

ওই সিদ্ধান্তের পর তৎকালীন বৃহৎ করদাতা ইউনিটের কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়েন। সরকারের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। অবসর-উত্তর ছুটিতে যাওয়ার পর তাঁর অবসরকালীন ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধাও আটকে দেওয়া হয়।

এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর আগে বন্ধ করা ফাইলগুলো পুনরায় খোলা বা তদন্ত করা হয়। ওই ঘটনার পর এনবিআর কর্মকর্তারা এডিআরের মাধ্যমে রাজস্ব বিরোধসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও সতর্ক হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে কোম্পানিগুলোর মধ্যেও এডিআরের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আগ্রহ কমেছে।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু হবে শিগগিরই, প্রয়োজন শক্তিশালী অবকাঠামো: অর্থমন্ত্রী

দ্য ডেইলি কর্পোরেট ডেস্ক ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দেশে শিগগিরই ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু...

নতুন পে-স্কেলে পেনশন বাড়ল ৫৫–১০০%, সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকা

দ্য ডেইলি কর্পোরেট ডেস্ক ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: নতুন পে-স্কেলের আওতায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের মাসিক পেনশন সর্বনিম্ন ১৮,০০০ এবং সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।...

Forbes-এর বিশ্বসেরা ৫০০ ব্যাংকের তালিকায় জায়গা পেল বাংলাদেশের ব্র্যাক ব্যাংক

দ্য ডেইলি কর্পোরেট ডেস্ক ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মার্কিন সাময়িকী Forbes প্রকাশিত ‘World’s Top Performing Banks 2026’ তালিকায় বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে স্থান পেয়েছে BRAC...

ইউরিয়া আমদানির অর্থায়নে যুক্ত হচ্ছে ব্র্যাক ও প্রাইম ব্যাংক – চাওয়া হয়েছে ১,০০০ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি

দ্য ডেইলি কর্পোরেট ডেস্ক ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: সরকারের ইউরিয়া সার আমদানির অর্থায়নে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংককে যুক্ত করার উদ্যোগ...