স্বপ্ন কমবেশি সবাই-ই দেখেন। তবে সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য যে উদ্যম আর পরিশ্রম প্রয়োজন, তা কজনই বা অব্যাহত রাখতে পারেন। তাদের জন্য প্রেরণা হতে পারেন মো: জাবেদ আলী। তার গড়া বিডিক্রিকটাইম শুধু দেশেই নয়, বিদেশে বিভূঁইয়েও কুড়িয়েছে প্রশংসা, মিলেছে স্বীকৃতিও।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এই ডিজিটাল ক্রীড়া গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মো. জাবেদ আলী কমনওয়েলথ বিজনেস এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ডে সেরা উদ্যোক্তা (Best Entrepreneur) হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা বিডিক্রিকটাইম এখন দেশের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল স্পোর্টস পোর্টাল, একইসাথে পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস মিডিয়া প্লাটফর্ম; যার পাঠক আর দর্শক সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বর্তমানে ১ কোটি ৮০ লক্ষাধিক অনুসারী বিডিক্রিকটাইমের; যা শুধু বাংলাদেশেরই নয়, ক্রিকেট পাগল গোটা দক্ষিণ এশিয়ারই অন্যতম আস্থাভাজন ও জনপ্রিয় ক্রিকেট প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।
ক্রিকেটকে ছোটবেলা থেকেই ভীষণভাবে ভালোবাসা জাবেদ আলী নিছক শখের বশে যাত্রা শুরু করেছিলেন, একপর্যায়ে এর বিস্তৃতি কেবলই বাড়তে থাকে। এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিডিক্রিকটাইম ব্র্যান্ড হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। আর এই দূরদর্শিতার জন্যই জাবেদ আলী মালয়েশিয়ায় বিশেষ এই সম্মাননা অর্জন করেছেন।
এর আগে বিডিক্রিকটাইম পায় বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি এওয়ার্ড। ২০১৯ সালে মিডিয়া ও বিনোদন বিভাগে বেসিস আইসিটি এওয়ার্ডে প্রথম রানার-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
জাবেদ আলীর নেতৃত্বে বিডিক্রিকটাইম সফলভাবে কভার করছে আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সিরিজ। পোর্টাল, মাল্টিমিডিয়া ও ডিজিটাল অন্যান্য প্লাটফর্মের পাশাপাশি সচল রয়েছে দেশের প্রথম লাইভ ক্রিকেট স্কোরিং অ্যাপও, যা বিদেশি অ্যাপগুলোর সাথে পাল্লা দিচ্ছে। ক্রিকেটমোদী পাঠকরাও খুশি নিজ দেশের অ্যাপ ব্যবহার করতে পেরে।
পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানাতে গিয়ে মো. জাবেদ আলী বলেন, “এই সম্মাননা স্মারক বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর ভালোবাসা আর বিশ্বাসের প্রতিফলন। বিডিক্রিকটাইম শুরু হয়েছিল নিছক ভালোবাসা থেকে, আজ তা দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের আস্থার প্রতীক। এই অর্জন আমার নয়, আমাদের পুরো টিম এবং পাঠক, দর্শক ও অনুসারীদের।”
দক্ষ কর্মী গড়ে তোলার পাশাপাশি জাবেদ আলী তার এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেকেরই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। ক্রিকেট কমিউনিটিতে উদাহরণ ও অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠা বিডিক্রিকটাইম আগামী দিনেও তাদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে বদ্ধপরিকর।




