লেখকঃ ফারহানা হুসাইন
বর্তমান বিশ্বে নারীরা শিক্ষা, চাকরি, ব্যবসা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলোতে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নারীরা যেমন সচেতন হয়েছেন, তেমনি সমাজও ধীরে ধীরে নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে।তবুও অনেকক্ষেত্রেই নারীরা এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা খাতে নারী উদ্যোক্তারা পুরুষদের তুলনায় কম বিনিয়োগ পাচ্ছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো নারীদের জন্য বিনিয়োগ কম আসার কারণ ও কিছু সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে।
নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিনিয়োগ বাস্তবতা
বিশ্বজুড়েই নারী উদ্যোক্তারা বর্তমানে নানা প্রতিকূলতা পার করে নতুন উদ্যোগ গড়ে তুলছেন। কিন্তু বিনিয়োগের দিক থেকে তারা এখনো অনেক পিছিয়ে। ভেনচার ক্যাপিটাল, ব্যাংক ঋণ কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের দিক থেকে পুরুষ উদ্যোক্তাদের তুলনায় নারীদের জন্য সুযোগ অনেক কম।
২০২৪ সালে নারী-নেতৃত্বাধীন টেক স্টার্টআপগুলো মোট বিনিয়োগের মাত্র ১১.৭% পেয়েছে, যার পরিমাণ ছিল ২৬.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি আগের দুই বছরের তুলনায় যথাক্রমে ১১% এবং ২১% হ্রাস পেয়েছে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী ভেনচার ক্যাপিটাল ফান্ডিংয়ের মাত্র ২.৩% নারীদের প্রতিষ্ঠানে যায়। গড় হিসাবে একজন নারী উদ্যোক্তা যেখানে ৫.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পান, সেখানে একজন পুরুষ উদ্যোক্তা পান ১১.৭ মিলিয়ন ডলার, যা নারীদের তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি।
বাংলাদেশেও একই দৃশ্য বিরাজমান। বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের সঠিক সংখ্যা জানা না গেলেও, SME ফাউন্ডেশনের মতে বর্তমানে এই সংখ্যা পাঁচ লাখেরও বেশি। SME ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান জানান, ২০১০ সালের পর থেকে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালে, এই সংখ্যা ছিল ১৩.৮ শতাংশেরও বেশি। কিন্তু এই নারীদের মধ্যে ৬ শতাংশেরও কম ব্যাংক ঋণ পেতে সক্ষম হয়েছেন। অন্যদিকে পুরুষ উদ্যোক্তারা ব্যাংক থেকে প্রায় ৯৩ শতাংশ স্টার্টআপ ঋণ পেয়ে থাকেন।
বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া এই তথ্যগুলো প্রমান করে যে, বিনিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীরা এখনো পিছিয়ে রয়েছেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই বৈষম্য আরও বাড়ছে।
নারীদের জন্য বিনিয়োগ কম আসার কারণ
মূলত সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, সম্পদের ওপর নারীর সীমিত অধিকার, এবং পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাবই নারীদের বিনিয়োগ কম পাওয়ার মূল কারণ।
১. সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি
বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে সংকীর্ণ মনোভাবের কারণে নারী উদ্যোক্তারা সমাজে তেমন গ্রহণযোগ্যতা পায় না। ব্যবসা পরিচালনা কিংবা বিনিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের সক্ষমতা ও নেতৃত্বের ক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি একদিকে যেমন নারী উদ্যোক্তাদের আত্মবিশ্বাস ক্ষুন্ন করে, অন্যদিকে তেমনি বিনিয়োগ পাওয়ার পথকেও কঠিন করে তোলে।
২. নারীদের প্রতি আস্থার অভাব
উদ্যোক্তা হিসেবে নারীদের যোগ্যতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতার প্রতি অনেক বিনিয়োগকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যথেষ্ট আস্থা নেই। তারা মনে করেন, একজন নারী হয়তো পরিবার, সন্তান, বা সামাজিক দায়িত্বের কারণে পুরোপুরি ব্যবসায় ফোকাস করতে পারবেন না। আবার ফ্যাশন, বিউটি, কুকিং—এই সব খাতগুলোতে নারী উদ্যোক্তারা বেশি থাকলেও, অনেক বিনিয়োগকারী এসব আইডিয়াকে ছোট মনে করেন, বিধায় বিনিয়োগ করতে চাননা।
৩. নেটওয়ার্কিং এর অভাব
নতুন ব্যবসায় বিনিয়োগ পাওয়ার ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং অনেক বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু নারীরা এই দিক থেকে অনেক সময় পিছিয়ে থাকে। সামাজিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতা, ব্যবসা বিষয়ক আয়োজনগুলোতে নারীদের কম অংশগ্রহণ, এবং সমাজে পুরুষদের আধিপত্যের কারণে নারীরা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বা ক্লাবের সদস্য হতে পারেন না।
৪. সম্পদের ওপর নারীর সীমিত অধিকার
নারীদের জমিজমা, বাড়ি, সঞ্চয় বা অন্য সম্পদের মালিকানা কম থাকে। বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য অনেক সময় এসব সম্পদ বন্ধক রাখতে হয় বা আর্থিক নিরাপত্তা দেখাতে হয়। তা না থাকলে ব্যাংক বা বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি নিতে চায় না।
৫. প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাব
নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ বা নেটওয়ার্কিং সুবিধা প্রদান করা হয় না। ফলে অনেক নারী তাদের ব্যবসা বড় করার লক্ষ্য বা পরিকল্পনা সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন না, যা বিনিয়োগ পাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
সম্ভাব্য সমাধান
১. নারীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন
নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ ও সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সরকার ও ব্যাংকিং খাতে এমন নীতিমালা থাকা দরকার, যেখানে নারী উদ্যোক্তারা সহজে বিনিয়োগ বা ঋণ পেতে পারেন। বিশেষত নতুন নারী উদ্যোক্তারা যখন ব্যবসা শুরু করেন, তখন নানাবিধ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও আইনি জটিলতা তাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই সরকারের উচিতঃ
– সহজ ও দ্রুত ঋণ প্রাপ্তির ব্যবস্থা করা
– জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ বাড়ানো
– নতুন ব্যবসার জন্য ট্যাক্স, ভ্যাট ও ট্রেড লাইসেন্সে রেয়াত দেওয়া
– লাইসেন্স নবায়ন ও সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় হেল্পডেস্ক চালু করা
– নারীদের জন্য আলাদা সেবা ডেস্ক চালু করা
২. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
নারীদের জন্য সঠিক ব্যবসা পরিকল্পনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং —এইসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, বিশেষ করে গ্রাম ও চরাঞ্চলে।। এতে করে তারা আরও আত্মবিশ্বাসী ও উৎসাহী হয়ে উঠবে।
যদিও এ বিষয়ে ইতিমধ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সোমবার, ২ জুন, অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জাতীয় সংসদে তার বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ‘নারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় মহিলা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন একাডেমির মাধ্যমে মহিলাদের জন্য দক্ষতাভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে এবং উপজেলা পর্যায়ে মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।’
(The Business Standard)
৩. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বাজেট প্রণয়ন
একটি নারীবান্ধব অর্থনীতি গড়তে হলে জাতীয় বাজেট প্রণয়নে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আলাদা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখতে হবে। এই বরাদ্দের মাধ্যমে নারীদের বিভিন্ন সহায়তা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, যেমনঃ
– সহজ শর্তে ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা
– জামানতবিহীন অর্থায়ন প্রদান
– বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও ব্যবসায়িক পরামর্শ কার্যক্রম পরিচালনা
– ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীদের প্রবেশাধিকার সহজ করে তোলা
– ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স ও ভ্যাটে বিশেষ ছাড় প্রদান
– মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং সুবিধা
২০২৫–২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে সরকার একটি প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা করেছে।
অর্থ উপদেষ্টার বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা তাদের ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে কাজ করবে।
৪. মেন্টরশিপ ও নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম
অভিজ্ঞ নারী উদ্যোক্তা ও সফল পেশাজীবীদের সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের সংযুক্ত করার জন্য মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম চালু করা উচিত। এছাড়াও নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা সম্মেলন, বিজনেস মেলা ও ইনকিউবেশন সেন্টার-গুলোয় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
৫. সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
নারী উদ্যোক্তাদের সফলতা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে বিভিন্ন এনজিও, মিডিয়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সুশীল সমাজের সংগঠনগুলোকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে।
এক নজরে নারী উদ্যোক্তাদের কম বিনিয়োগ পাওয়ার কারণ ও সম্ভাব্য সমাধান
| কারণসমূহ | সম্ভাব্য সমাধানসমূহ |
| সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সংকীর্ণ মনোভাব | – গণসচেতনতা বৃদ্ধি– নারীর নেতৃত্বকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন |
| নেটওয়ার্কিং এর অভাব | – নারীদের জন্য বিজনেস নেটওয়ার্ক তৈরি– নারী উদ্যোক্তা মেলা ও সম্মেলনের আয়োজন |
| সম্পদের ওপর নারীর সীমিত অধিকার | – নারীদের জমি/সম্পদ মালিকানা নিশ্চিতকরণ– জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা |
| প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার অভাব | – প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম চালু– সরকারি সহায়তা হেল্পডেস্ক তৈরি |
| বাজেটে নারীদের জন্য আলাদা বরাদ্দ না রাখা | – জাতীয় বাজেটে নারী উন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা – অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ, ট্যাক্স ছাড়ে সহায়তা প্রদান |
পুরো বিশ্বজুড়েই নারী উদ্যোক্তারা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। কিন্তু সমাজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি, সামাজিক অবস্থান, লিঙ্গবৈষম্যসহ আরো নানা কারণে তারা এখনো প্রয়োজনীয় সহায়তা ও বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন, নারীর আর্থিক অধিকার নিশ্চিত করা, এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ানোর মাধ্যমে এই বৈষম্য দূর করা সম্ভব। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যাংক, এনজিও, মিডিয়া এবং সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রশ্নোত্তর
১. নারী উদ্যোক্তারা কেন কম বিনিয়োগ পান?
উত্তরঃ নারী উদ্যোক্তারা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, আস্থার অভাব, নেটওয়ার্কিংয়ে সীমাবদ্ধতা, সম্পদের মালিকানায় সীমিততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার ঘাটতির কারণে অনেক সময় বিনিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন।
২. নারী ও পুরুষ উদ্যোক্তার গড় বিনিয়োগে পার্থক্য কতটা?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাপী গড় হিসাবে নারী উদ্যোক্তারা যেখানে $5.2 মিলিয়ন পুঁজি পান, সেখানে পুরুষ উদ্যোক্তারা পান $11.7 মিলিয়ন — যা প্রায় দ্বিগুণ।
৩. বাংলাদেশে কত শতাংশ নারী উদ্যোক্তা ব্যাংক ঋণ পান?
উত্তরঃ বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ ব্যাংক ঋণ পান। পুরুষ উদ্যোক্তারা পান প্রায় ৯৩ শতাংশ স্টার্টআপ ঋণ।
৪. সরকার কী উদ্যোগ নিয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য?
উত্তরঃ ২০২৫–২৬ বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারী বান্ধব নীতিমালার দিকেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।
৫. নারী উদ্যোক্তারা কীভাবে বিনিয়োগ পাওয়ার সুযোগ বাড়াতে পারেন?
উত্তরঃ দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে, একটি শক্তিশালী ব্যবসা পরিকল্পনা তৈরি করে, বিজনেস নেটওয়ার্কিংয়ে অংশগ্রহণ বাড়িয়ে, সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন ফান্ড ও অনুদানের সুযোগ খুঁজে, মেন্টরের সঙ্গে কাজ করে
৬. নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান সহায়তা করে?
উত্তরঃ
- SME Foundation (বাংলাদেশ)
- Women’s Business Centers
- BWCCI (Bangladesh Women Chamber of Commerce & Industry)
- Startup Bangladesh
- বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংক ও এনজিও যারা নারী উদ্যোক্তা প্রকল্পে কাজ করছে।
৭. SME পূর্ণরূপ কি?
উত্তরঃ SME এর পূর্ণরূপ হলো Small and Medium Enterprises, অর্থাৎ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগসমূহ।
৮. রেয়াত মানে কি?
উত্তরঃ “রেয়াত” শব্দের অর্থ হলো ছাড়, ছাড়পত্র বা বিশেষ সুবিধা যা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয় কোনো নির্দিষ্ট শর্ত বা সময়সীমার জন্য। সাধারণত সরকার বা কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কর, ফি, ট্যাক্স ইত্যাদিতে রেয়াত দিয়ে থাকে যাতে তারা সহজে বা কম খরচে কাজ করতে পারে।
তথ্যসূত্র




