spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

জেলা ভিত্তিক টেক পার্কে কী ধরনের চাকরি মিলবে? জেনে নিন আগে থেকেই

লেখকঃ ফারহানা হুসাইন 

বর্তমান প্রযুক্তিয়ানের যুগে টেক পার্ক একটি নতুন সম্ভাবনার দিক উন্মোচন করেছে। এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং একটি উন্নত কর্মপরিবেশ যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর চাকরি, প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সব একসাথে সৃষ্টি হয়। কিন্তু টেক পার্ক কি? এটি কীভাবেই বা চাকরি সৃষ্টিতে প্রভাব রাখছে? চলুন জেনে নেয়া যাক। 

টেক পার্ক কি?

টেক পার্ক (Tech Park) হলো এক ধরণের পরিকল্পিত এলাকা যেখানে তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ও অন্যান্য উচ্চ প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন কোম্পানি, স্টার্টআপ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং সহযোগী সংস্থাগুলো একত্রিত হয়ে কাজ করে। 

এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ, এবং সর্বোপরি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন।

বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলী  

১. আধুনিক অবকাঠামো : টেক পার্কে থাকছে আধুনিক অফিস, ডেটা সেন্টার, উচ্চগতির ইন্টারনেট,গবেষণা ও উন্নয়ন সুবিধা, উন্নতমানের প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং অন্যান্য সহযোগী সুবিধা। 

২. উদ্যোক্তা সহায়তা : নতুন স্টার্টআপদের জন্য ইনকিউবেশন সেন্টার, পরামর্শ ও বিনিয়োগের সহযোগিতা প্রদান করা হয়। 

৩. উদ্ভাবন ও গবেষণা : এখানে রয়েছে R&D (Research & Development) ল্যাব যেটি বিভিন্ন প্রযুক্তি-বিষয়ক গবেষণা বা নতুন কিছু উদ্ভাবনের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরী করে। 

৪. দক্ষ জনশক্তি তৈরী : এখানে আইটি ও প্রযুক্তি খাতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করা হয়। 

৫. নেটওয়ার্কিং ও সহযোগিতা: বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ তৈরি হয়।

উল্লেখযোগ্য টেক পার্কের উদাহরণ

১. সিলিকন ভ্যালি

এটি সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত টেক পার্ক যেখানে প্রায় ৩৮৭,০০০-এর বেশি উচ্চ-প্রযুক্তিগত চাকরি রয়েছে। অ্যাপল, গুগল, ফেইসবুক (মেটা), ইন্টেল এবং টেসলার মতো বৃহৎ কোম্পানিগুলোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত এখানে।

২. Zhongguancun Science Park

হাইডিয়ান জেলায় অবস্থিত এই পার্কে রয়েছে Baidu, Lenovo, Tencent এবং Xiaomi-র মতো প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রায় ২০,০০০ এরও বেশি প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানি কাজ করছে।

৩. বেঙ্গালুরু, ভারত

প্রায়শই “ভারতের সিলিকন ভ্যালি” নামে পরিচিত বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য টেক পার্কগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইন্টারন্যাশনাল টেক পার্ক বেঙ্গালুরু (ITPB), মান্যতা টেক পার্ক, বাগমানে টেক পার্ক এবং এম্ব্যাসি গল্ফ লিংকস বিজনেস পার্ক। এটি দেশের আইটি খাতের মূল চালিকাশক্তি। এসব পার্কে ভারতের শীর্ষস্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস রয়েছে, যেমন—Infosys, Wipro, TCS, IBM, Accenture ইত্যাদি।

৪. Zhangjiang Hi-Tech Park

এটি সাংহাই শহরের পুডং জেলায় অবস্থিত একটি অন্যতম টেক পার্ক, যেটি পরিচালনা করছে Zhangjiang Hi-Tech Park Development Co., Ltd. এই পার্ক মূলত লাইফ সায়েন্স, সফটওয়্যার, সেমিকন্ডাক্টর এবং তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণায় বিশেষায়িত। বর্তমানে পার্কটির কেন্দ্রীয় এলাকায় রয়েছে প্রায় ৪০০টি গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) প্রতিষ্ঠান, যারা নিত্যনতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কাজ করছে।

৫.Skolkovo Innovation Center

এটি রাশিয়ার মস্কো শহরের Mozhaysky District-এ অবস্থিত একটি আধুনিক উচ্চপ্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়িক এলাকা। সেন্টারটি তথ্যপ্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি (biotech), শক্তি প্রযুক্তি, পরমাণু প্রযুক্তি এবং মহাকাশ গবেষণা—এই পাঁচটি ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেয়।

চাকরিক্ষেত্রে টেক পার্কের প্রভাব

১. কর্মসংস্থান বৃদ্ধি : 

টেক পার্কগুলোতে বিভিন্ন আইটি কোম্পানি,গবেষণা কেন্দ্র ও অন্যান্য সহযোগী সংস্থাগুলো সরাসরি জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকে। এতে করে ওয়েব ডেভেলপার, প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, মার্কেটার ইত্যাদি বিভিন্ন পদে নতুন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়। 

২. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি : 

টেক পার্কে প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, ওয়ার্কশপ ও ইন্টারশিপের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষতার উন্নয়ন করা হয়, যা তাদের বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে অনেকটাই এগিয়ে রাখে। 

৩. উদ্যোক্তা তৈরী ও স্টার্টআপ সহায়তা : 

টেক পার্কগুলোতে স্টার্টআপ ইনকিউবেটর ও বিজনেস সাপোর্ট সেন্টার রয়েছে। এগুলো স্টার্টআপ এবং নতুন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করে, যা নতুন কর্মসংস্থান এবং উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করে।

৪. পরোক্ষ কর্মসংস্থান : 

টেক পার্কের আশেপাশের এলাকায় নতুন ব্যবসা, যেমন ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, পরিবহন পরিসেবা ইত্যাদি গড়ে ওঠে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।

৫. বিনিয়োগ বৃদ্ধি : 

টেক পার্কগুলোতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও গবেষণা কেন্দ্রের অফিস থাকায় এটি দেশি-বিদেশি কোম্পানি ও উদ্যোক্তাদের এখানে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করে।  এর প্রভাবে নতুন নিয়োগ ও উন্নত ক্যারিয়ার অপশন তৈরী হয়। 

৬. নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি : 

টেক পার্কগুলোতে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে, যার ফলে আগের তুলনায় অনেক বেশি নারী এখন প্রযুক্তি খাতে যুক্ত হচ্ছেন এবং বিভিন্ন পদে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন :বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ২০২৫: কোন কোম্পানিগুলো শীর্ষে?

বাংলাদেশে সম্ভাবনা

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২৮ টি হাই-টেক পার্ক রয়েছে যার মধ্যে ৪ টি পার্কে ইতিমধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে :

১. বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক

এটি কালিয়াকৈর, গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও প্রথম হাইটেক পার্ক। এখানে বহু আন্তর্জাতিক ও দেশীয় আইটি কোম্পানি কাজ করছে। রয়েছে স্টার্টআপ ইনকিউবেশন সেন্টার, ডেটা সেন্টার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ আধুনিক অবকাঠামো।

কর্মসংস্থান লক্ষ্যমাত্রা : ১,০০,০০০ 

২. সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক, জনতা টাওয়ার, ঢাকা

এটি মূলত কারওয়ান বাজারে অবস্থিত একটি ১২ তলা বিশিষ্ট ভবন, যেখানে সফটওয়্যার এবং আইটি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানি ও স্টার্টআপ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বর্তমান কর্মসংস্থান : ৮৭০

৩. শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেক পার্ক, যশোর

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রথম হাইটেক পার্ক। এখানে তরুণদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। এটিকে বাংলাদেশের সিলিকন ভ্যালি ও বলা হয়ে থাকে। 

৪. শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার

এটি বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত একটি উন্নত আইটি প্রশিক্ষণ ও স্টার্টআপ সহায়তা কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে।

প্রশিক্ষণ লক্ষ্যমাত্রা: ১৫,০০০

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানিয়েছেন, রাজধানীর বাইরে নির্মাণাধীন ২৮টি হাইটেক পার্কে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ৩ লাখের বেশি তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

এছাড়াও

  • ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাই-টেক পার্কে মোট ১৩,০০০-এরও বেশি মানুষ সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।
  • ২০২০ সালের জুন নাগাদ প্রায় ১৬,০০০ জন বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।
  • ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের বিভিন্ন হাই-টেক পার্কে কোম্পানিগুলোর মোট বিনিয়োগ প্রায় ২,৪০০ কোটি টাকা পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিনিয়োগ করা হয়েছে প্রায় ৩২৭ কোটি টাকা। একই সময়ে এই পার্কগুলো থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ২৪.১৫ কোটি টাকা।
  • এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাই-টেক পার্কে ১০০টিরও বেশি স্টার্টআপকে এক বছরের জন্য ইনকিউবেশন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। এই ইনকিউবেশন সুবিধার আওতায় স্টার্টআপগুলোকে ব্যবসা শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত সুবিধা দেওয়া হয়। 
  • প্রতিটি পার্কে স্টার্টআপদের জন্য একটি করে ফ্লোর সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এই উদ্যোগ তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও উদ্ভাবনী ব্যবসার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অতএব, টেক পার্কসমূহ বাংলাদেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।

এগুলো প্রযুক্তিনির্ভর চাকরি, স্টার্টআপ ইনকিউবেশন এবং বিভিন্ন সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে যেমন নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করছে, তেমনি প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে প্রতিযোগিতামূলক চাকরিবাজারে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করছে। 

তথ্যসূত্রঃ

প্ৰশ্নোত্তরঃ

  • টেক পার্ক কী?

উত্তর: টেক পার্ক বা হাই-টেক পার্ক হলো এমন একটি প্রযুক্তিনির্ভর এলাকা, যেখানে আইটি, সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স, বায়োটেকনোলজি ইত্যাদি খাতে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপদের জন্য আধুনিক অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ ও সহায়তা সুবিধা প্রদান করা হয়।

  • বাংলাদেশে কতটি টেক পার্ক রয়েছে?

উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে ২৮টি হাই-টেক পার্ক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে, যার মধ্যে ৪টিতে ইতোমধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম চলছে।

  • স্টার্টআপ ইনকিউবেটর কি?

উত্তর: স্টার্টআপ ইনকিউবেটর (Startup Incubator) হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান বা কর্মপরিকল্পনা, যা নতুন স্টার্টআপ বা উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু করার প্রাথমিক পর্যায়ে পরামর্শ, প্রশিক্ষণ, অফিস স্পেস, প্রযুক্তি, ফান্ডিং সুযোগ এবং নেটওয়ার্কিং সহায়তা দিয়ে থাকে।

  • টেক পার্কে চাকরির সুযোগ কীভাবে পাওয়া যায়?

উত্তর: টেক পার্কে আইটি, সফটওয়্যার, ডিজাইন, নেটওয়ার্কিং, সাপোর্ট সার্ভিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে চাকরির সুযোগ থাকে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ওয়েবসাইট, পার্কের অফিস বা বিভিন্ন ক্যারিয়ার প্ল্যাটফর্মে এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। 

  • নারীদের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা আছে কি?

উত্তর: হ্যাঁ, টেক পার্কগুলোতে নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে এবং বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উদ্যোক্তা সহায়তা কার্যক্রমে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

  • টেক পার্ক কীভাবে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে?

উত্তর: টেক পার্ক প্রযুক্তিভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্টার্টআপ বিকাশ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রযুক্তি খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন : সবার জন্য ইনকাম—ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম কি আমাদের দেশে সম্ভব?

More articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest article

“আমাকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়নি, পারিবারিক কাজে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ছুটি নিয়েছি”—দাবি ওমর ফারুক খাঁনের

ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২৬: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খাঁনকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ—এমন তথ্য উঠে এসেছে...

ছেঁড়া ও অযোগ্য নোট নিয়ে গ্রাহক হয়রানি বন্ধে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২৬: দেশের সকল তফসিলি ব্যাংককে ছেঁড়া, ক্ষতিগ্রস্ত ও ময়লা নোট গ্রহণ এবং বিনিময়ে নিয়মিত সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।...

EDF তহবিল ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা: ব্যবসায়ীদের আশ্বাস বাংলাদেশ ব্যাংকের

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ব্যবসায়ী নেতাদের আশ্বস্ত করেছেন যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (Export Development Fund - EDF) ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলারে...

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা এক মঞ্চে—৮ম বাংলাদেশ রিটেইল কংগ্রেস

লেখক: নিশি আক্তারঢাকা, ৫ এপ্রিল ২০২৬ । দেশের খুচরা (রিটেইল) খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৬...