spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

২০২৫ সালে ডিজাইন থিংকিং এর গুরুত্ব

লেখকঃ বাহারিন আক্তার অন্তরা

সাধারণত বর্তমানে পৃথিবীর অনেক উদ্ভাবনী কোম্পানি ডিজাইন থিংকিং এর ধারণা ব্যবহার করে থাকে। একুশ শতকে এসে ডিজাইন থিংকিং প্রায় সর্বক্ষেত্রে ছড়িয়ে আছে এবং এর ব্যাপ্তি কমবে না বরং আরও বাড়বে। তাই একজন ডিজাইনার একজন, প্রোডাক্ট ম্যানেজারের এমনকি একজন সাধারণ মানুষেরও ডিজাইন থিংকিং সম্পর্কে জানা জরুরি।

ডিজাইন থিংকিং কী?

ডিজাইন থিংকিং হচ্ছে একধরনের দর্শন যা সমস্যা কোনো সমস্যাকে সৃজনশীলভাবে সমাধান করতে সাহায্য করে। যখন একটি কোম্পানি নতুন কিছু তৈরি করতে চায়, যখন একটি কোম্পানি কোনো সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে, যখন একটি দল কোনো জটিল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে তখন তারা ডিজাইন থিংকিং ব্যবহার করে তাদের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারে। 

ডিজাইন থিংকিং ব্যবহার করে আমরা একটি সমস্যা বুঝতে পারি এবং তার জন্য কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে পারি। এটি স্ট্যানফোর্ড, ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য স্থানে পড়ানো হয়। এটি IDEO, Frog এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি উদ্ভাবন এবং নকশা পরামর্শদাতাদের দ্বারা অনুশীলন করা হয়। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে, এটি একটি উদ্ভাবনী মডেল ব্যবহারকারী/ গ্রাহক সম্পর্কে অনুমানের পরিবর্তে ব্যবহারকারী/ গ্রাহককে কেন্দ্রে রাখে।

ডিজাইন থিংকিং এর ধাপগুলো কী কি?

ডিজাইন থিংকিং একটি অরৈখিক, পুনরাবৃত্তিমূলক প্রক্রিয়া যা আপনি কার সাথে কথা বলছেন তার উপর নির্ভর করে তিন থেকে সাতটি পর্যন্ত পর্যায় থাকতে পারে। এখানে স্ট্যানফোর্ডের হ্যাসো প্ল্যাটনার ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন (ডি-স্কুল) দ্বারা প্রস্তাবিত পাঁচ-ধাপের ডিজাইন থিংকিং মডেলে তুলে ধরা হচ্ছে  কারণ ডিজাইন থিংকিং শেখানো এবং প্রয়োগ করার পদ্ধতির জন্য তারা বিশ্বখ্যাত।

ডিজাইন থিংকিং প্রক্রিয়ার ৫টি ধাপঃ

ডিজাইন থিঙ্কিং-এর পাঁচটি ধাপকে বলা হয়, “ডিজাইন থিঙ্কিং স্পেস”। এগুলো হলো: এম্প্যাথাইজ, ডিফাইন, আইডিয়েট, প্রোটোটাইপ এবং টেস্ট। এই ধাপগুলো আসলে ক্রমানুসারে সবসময় মানা হয় না, বরং এগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক একটি প্রক্রিয়া। এবার প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলোঃ

১. সমস্যা বোঝা বা এম্প্যাথাইজ

প্রথমে আমরা সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মানুষের অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলো বুঝতে চেষ্টা করি। অর্থাৎ, অন্যের অবস্থানে নিজেকে বসিয়ে সমস্যাটি বোঝার চেষ্টা করা। এর জন্য আমরা‌ ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলি, তাদের অভিজ্ঞতা লক্ষ্য করি এবং তাদের প্রকৃত চাহিদাগুলি বোঝার চেষ্টা করি। যেমন, যদি আমরা কোন পার্কের জন্য একটি নতুন ডিজাইনের কথা চিন্তা করি, তাহলে পার্ক ব্যবহারকারীদের সাথে কথা বলে তারা পার্কে কি করতে চায়, তাদের কি ভালো লাগে, আর কি কি সমস্যা তারা অনুভব করে, সে সম্পর্কে জানা যাবে। এর ফলে আমরা প্রকৃত সমস্যাগুলি চিহ্নিত করতে পারবো, যা আমাদের সঠিক সমাধানে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।

২.সমস্যার সংজ্ঞা দেওয়া বা ডিফাইন

এ ধাপে এসে সংগৃহীত তথ্যগুলি বিশ্লেষণ করে সমস্যাটিকে স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এই ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে আমরা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুটি খুঁজে পাই এবং পরবর্তী পদক্ষেপগুলি নির্ধারণ করতে সহজ হয়।

৩. আইডিয়া তৈরি করা বা আইডিয়েট 

এখানে বিভিন্ন ধারণা এবং সমাধান তৈরি করা হয়। এই পর্যায়ে আমরা কোন ধারণা কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তা না করে, যত সম্ভব বেশি ধারণা তৈরি করতে হবে। এক্ষেত্রে brainstorm, mind map বা অন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. প্রোটোটাইপ

প্রোটোটাইপ হচ্ছে কোনোকিছুর প্রথম সংস্করণ, অনেকটা একটা রাফ ড্রাফট এর মতো। আমরা এটি তৈরি করি মূল ধারণাটি পরীক্ষা করে দেখার জন্য এবং এটি কেমন কাজ করে তা বোঝার জন্য। সহজভাবে বললে, প্রোটোটাইপ হলো এমন একটি মডেল, যা আমাদের ধারণাগুলিকে বাস্তব রূপ দিতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ইউটিউব এ আমি মুরগির মাংস রান্নার রেসিপি দেখেছি। এই রেসিপিটি আমি বাসায় তৈরি করতে চাচ্ছি। কিন্তু প্রথমবার যেহেতু রান্না করবো তাই রান্নাটি ভালো হবে কিনা এটি পরীক্ষার জন্য আমি পুরো মুরগিটি না রেঁধে শুধু দুটো টুকরো রান্না করে দেখবো যে ভালো লাগে কিনা। এর মাধ্যমে আমি রেসিপিটি ভালোভাবে বুঝতে পারবো, রান্নার প্রক্রিয়াটি যাচাই করতে পারবো এবং যদি কোনো ভুল ত্রুটি থাকে, তা আগেই শুধরে নিতে পারবো। এতে করে চূড়ান্তভাবে পুরো মুরগি রান্না করার সময় আমার সময় এবং উপকরণ দুইয়েরই অপচয় কমবে।

৫. পরীক্ষা বা টেস্ট

সবশেষে, টেস্ট ধাপে এসে প্রোটোটাইপগুলি ব্যবহারকারীদের কাছে পরীক্ষা করা হয়। তাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে ধারণাগুলি পরিমার্জন করা এবং সর্বোত্তম সমাধানটি খুঁজে বের করা হয়। 

এই পাঁচটি ধাপের মাধ্যমে ডিজাইন থিঙ্কিং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। এই পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী সৃজনশীল সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: বই থেকে নেতৃত্ব শেখার উপায়

২০২৫ সালে ডিজাইন থিংকিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ডিজাইন থিংকিং শুধুমাত্র একটি ডিজাইন প্রক্রিয়া নয় বরং এটি এমন একটি পদ্ধতি যা গ্রাহক বা ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তাদের চাহিদানুযায়ী প্রত্যেকটি পণ্য বা সেবা তৈরি করে থাকে। এখানে ব্যবহারকারীর চাহিদা এবং তাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কাজ করা হয়। এখন প্রায় প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানেও এই ডিজাইন থিংকিং এর ধারণা ব্যবহার করা হয়। এর মূল বিষয়বস্তু হলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক। 

অর্থাৎ –

  • ব্যক্তি বা গ্রাহক কী চায়,
  • তাদের সমস্যা কোথায়,
  • আর কেমন সমাধান পেলে তারা উপকৃত হবে।

এসব বিষয় মাথায় রেখে কোনো পণ্য বা সেবা তৈরি করা হয়।

২০২৫ সালে এসে ডিজাইন থিংকিং একটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে প্রতিটা ক্ষেত্রে। সময়ের সাথে সাথে মানুষের রুচি, চাহিদা, ব্যবহারের ধরণ, সবকিছুই সবকিছুই পরিবর্তন হচ্ছে। তাই তাদের এসব চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রত্যেকটা পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। নিম্নে এর গুরুত্বগুলো তুলে ধরা হলোঃ

১. ভোক্তাদের সন্তুষ্টি অর্জন

যেহেতু ডিজাইন থিংকিং মানুষকে কেন্দ্র করে চিন্তা করে, এতে মানুষের চাওয়া – পাওয়া, তাদের সন্তুষ্টি ইত্যাদির কথা মাথায় রেখেই প্রত্যেকটা পণ্য বানানো হয়। এতে ভোক্তারা পণ্যের গুণগত মান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন। এবং যে কোম্পানিগুলো ভোক্তা কেন্দ্রিক চিন্তা করে থাকে প্রতিযোগিতার দিক থেকে তারাই এগিয়ে রয়েছে।

২. ঝুঁকি হ্রাস পায়

ডিজাইন থিংকিং এ প্রতিটি পণ্য বাজারে ছাড়ার আগে সেটি বার বার পরীক্ষা করে দেখা হয়, যে সেটি ঠিকঠাক হবে কিনা, ভোক্তাদের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবে কিনা, ত্রুটি মুক্ত হবে কিনা। এভাবে পরীক্ষা করে কোনো ভুল ত্রুটি থাকলে সেটি সুধরে নেওয়া হয়। এভাবে ডিজাইন থিংকিং এর মাধ্যমে পণ্যটি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

৩. পরিবেশ বান্ধব

যেহেতু এখন জলবায়ু অনেকটা পরিবর্তন হয়েছে, এর প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর সেহেতু ডিজাইন থিংকিং মডেল ব্যবহারকারী কোম্পানিগুলো এমন পণ্য তৈরির দিকে ঝুঁকছে যা পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না। এতে সচেতন ভোক্তারাও পণ্যের মান নিয়ে সচেতন থাকেন এবং পরিবেশের উপরও এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয় না। যা একটি ইতিবাচক দিক।

৪. কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি

২০২৫ সালের কর্মজীবনের জন্য সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধান এবং টিমওয়ার্ক হলো মূল দক্ষতা। ডিজাইন থিংকিং এই দক্ষতাগুলো অনুশীলন এবং উন্নত করার একটি কাঠামো প্রদান করে।

৫. উদ্ভাবনী কর্মপরিবেশ সৃষ্টি

যখন কোনো প্রতিষ্ঠান ডিজাইন থিঙ্কিং পদ্ধতি গ্রহণ করে, তখন কর্মীদের মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এবং ব্যর্থতা থেকে শেখার একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়। এটি একটি উদ্ভাবনী কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে।

৬. প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা

যে কোম্পানিগুলি ডিজাইন থিঙ্কিং ব্যবহার করে, তারা প্রায়শই এমন অনন্য এবং ব্যবহাকারী-বান্ধব পণ্য বাজারে আনতে পারে যা তাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেয়।

যে কোম্পানিগুলো ডিজাইন থিংকিং ব্যবহার করে এবং তাদের কাজের ধরন নিচের চোখে তুলে ধরা হলোঃ 

                  প্রতিষ্ঠানের নাম                    কাজের ধরন
                  Airbnbব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নয়ন করে আবাসনপ্ল্যাটফর্ম এর বিশ্বাস এবং ব্যবহার সহজ করেছে।
                Netflixগ্রাহক ধরে রাখার জন্য কনটেন্ট সুপারিশ ইঞ্জিনকেউন্নত করেছে।
                Appleব্যবহারকারী কেন্দ্রিক ইন্টারফেস এবং সহজ অভিজ্ঞতা দিয়ে নতুন পণ্য (যেমনঃ iphone) তৈরি করছে।
                IBMগ্রাহক অভিজ্ঞতার উপর জোর দিয়ে সফটওয়্যার ও সেবার আধুনিকায়ন করছে।

উপসংহার

২০২৫ সালে ডিজাইন থিঙ্কিং শুধুমাত্র একটি পদ্ধতি নয়, এটি দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্ব, জটিল সমস্যা এবং উন্নত প্রযুক্তির সাথে মানুষের একটি অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করার একটি অপরিহার্য কৌশল।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. ডিজাইন থিংকিং কী?

উত্তরঃ ডিজাইন থিংকিং হলো এমন এক ধরনের সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি যেখানে মানুষকে কেন্দ্র করে চিন্তা করা হয়।

২. ডিজাইন থিংকিং কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তরঃ ডিজাইন থিংকিং ব্যবহার করে আমরা একটি সমস্যা বুঝতে পারি এবং তার জন্য কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে পারি।

৩. ডিজাইন থিংকিং প্রক্রিয়ার ৫টি ধাপ কী কী?

উত্তরঃ‌ এম্প্যাথাইজ, ডিফাইন, আইডিয়েট, প্রোটোটাইপ এবং টেস্ট।

৪. Brainstrom কী?

উত্তরঃ কোন সমস্যার সমাধান বের করার জন্য দলগতভাবে প্রত্যেকের নিজ নিজ জ্ঞান, ধারণা, মতামত এবং আইডিয়া শেয়ারিং এর মাধ্যমে কার্যকরি আইডিয়া খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াকেই Brainstorming বলা হয়।

৫. Mind map কী?

উত্তরঃ মাইন্ড ম্যাপ হলো একটি ডায়াগ্রাম যা একটি মূল ধারণার চারপাশের তথ্যকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে দৃশ্যতভাবে সাজাতে সাহায্য করে।

৬. কেনো এখন প্রায় সব কোম্পানিতে ডিজাইন থিংকিং মডেল ব্যবহার করা হচ্ছে?

উত্তরঃ প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকার জন্য এবং গ্রাহক ধরে রাখার জন্য ও পণ্যকে যুগোপযোগী তৈরি করার জন্য এখন প্রায় সব প্রতিষ্ঠানই ডিজাইন থিংকিং মডেল ব্যবহার করছে।

তথ্যসূত্র 

TalentLensHub

Quora

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

বাংলাদেশের ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে, বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা

ঢাকা: বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে আরও স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার (৪৫০ মিলিয়ন ডলার) অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থায়ন ফাইন্যান্সিয়াল...

প্রথমবারের মতো স্বল্পমেয়াদি শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ সুকুক চালু করল সরকার

ঢাকা: দেশের ইসলামী অর্থায়ন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে প্রথমবারের মতো স্বল্পমেয়াদি শরিয়াহভিত্তিক বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক (Short Term BGIS) চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ...

রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা: দেশের বার্ষিক রপ্তানি আয় বর্তমান প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ বশির উদ্দিন। মঙ্গলবার...

রাজধানীর প্রধান সড়ক থেকে অটোরিকশা সরানোর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই

ঢাকা: রাজধানীর যানজট ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকার প্রধান সড়কগুলো থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সরিয়ে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে সরকার...