লেখাঃ নিশি আক্তার
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ – বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ সাম্প্রতিক সময়ে ১১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে। এ ঋণ দেশের উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের বহিরাগত ঋণের মধ্যে মাল্টিলেটারাল ও দ্বিপাক্ষিক ঋণ প্রধান। এছাড়া সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও জাতিসংঘ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নেওয়া ঋণও এতে অন্তর্ভুক্ত।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশি ঋণ বৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রক্রিয়াকে দ্রুতগতিতে উন্নয়ন এবং অবকাঠামো সম্প্রসারণে সহায়তা করবে, তবে দীর্ঘমেয়াদে ঋণের স্থায়িত্ব এবং ঋণসেবার জন্য যথাযথ পরিকল্পনার প্রয়োজন।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেন, ঋণ ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে না হলে এটি দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার উপর চাপ তৈরি করতে পারে। তাই সরকারের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ঋণ ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা।
এদিকে, দেশের ঋণ ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।
এছাড়া, বিদেশি ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় বিনিয়োগ ও রপ্তানির উন্নয়নকেও সমান্তরালভাবে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তথ্যসূত্র: The Business Standard




