spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতার গুরুত্ব ও পেশাগত সাফল্যে এর ভূমিকা

লেখকঃ বাহারিন আক্তার অন্তরা

বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে প্রতেকটি ক্ষেত্রে নতুন নতুন উদ্ভাবন এর প্রয়োজন পড়ছে। গ্রাহকদের চাহিদার ধরন বদলাচ্ছে। তাই প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকেই সৃজনশীলভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে। যেই প্রতিষ্ঠান এর সৃজনশীল দক্ষতা বেশি তারাই মূলত প্রতিযোগিতায় এগিয়ে।

সৃজনশীলতা কী?

সৃজনশীলতা (Creativity) হলো এমন একটি ক্ষমতা বা প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে নতুন এবং মূল্যবান কোনো ধারণা, সমাধান, বা জিনিস সৃষ্টি করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি নতুন কবিতা লেখা, একটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, একটি জটিল সমস্যার অভিনব সমাধান, বা একটি সুন্দর নকশা তৈরি করা সবই সৃজনশীলতার প্রকাশ।

  • সৃজনশীলতা মানুষের নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও কল্পনাশক্তি থেকে আসে।
  • সৃজনশীলতা শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ব্যবসা বা দৈনন্দিন জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রেই প্রকাশ পেতে পারে।
  • সৃজনশীলতা জটিল সমস্যা সমাধান করতে সহায়তা করে।

সৃজনশীলতার উপাদানগুলো কী?

সৃজনশীলতার কিছু উপাদান রয়েছে। এ উপাদানগুলোকে বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ বিভিন্নভাবে উল্লেখ করেছেন। নিম্নে এর মধ্য থেকে কয়েকটি প্রধান উপাদান তুলে ধরা হলোঃ

১. সাবলীলতা

সাবলীলতা বলতে কোনো একটি কাজ সহজ, স্বচ্ছন্দে ও অনায়াসে করাকে বোঝায়। এটি ভাষা বা দক্ষতা প্রদর্শনের একটি উপায়। 

সাবলীলতা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমনঃ

  •  শব্দগত সাবলীলতাঃ শব্দগত সাবলীলতা  হলো দ্রুত এবং সহজভাবে নতুন নতুন শব্দ ব্যবহারের ক্ষমতা। এটি সৃজনশীলতার একটি অংশ, যেখানে একজন ব্যক্তি দ্রুত এবং সহজে প্রাসঙ্গিক ও নতুন শব্দ তৈরি করতে পারেন।
  • সমন্বয়ের সাবলীলতাঃ কোনো ব্যক্তির সাথে ব্যক্তি অথবা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের সকল উপাদানের মধ্যে যোগসুত্র স্থাপন করাকে সমন্বয়ের সাবলীলতা বলে। সমন্বয় ব্যবস্থাপনা একটি প্রক্রিয়া।
  • বহিঃপ্রকাশগত সাবলীলতাঃ সাধারণত যখন একজন ব্যক্তি তার মনের ভাবকে সম্পূর্ণরুপে প্রকাশ করতে পারে তখন তাকে বহিঃপ্রকাশগত সাবলীলতা বলে। এক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজের সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশকে বোঝায়।
  • সিদ্ধান্তগ্রহণের সাবলীলতাঃ যখন ব্যক্তি যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজের বিচার – বুদ্ধি দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন তখন তাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাবলীলতা বলে। এটি হলো ব্যক্তির দ্রুত, আত্মবিশ্বাসের সাথে এবং কার্যকরভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা।

২. নময়নীয়তা

চিন্তা, কাজ ও পদ্ধতিতে প্রয়োজনে পরিবর্তন এনে কোনো প্রচেষ্টাকে লক্ষ্য অভিমুখী করার নীতিকেই নমনীয়তার নীতি বলে। এই নীতির দ্বারা  কোনো সমস্যাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করা হয়। এই নীতি ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালনার সাধারণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করে থাকে। নমনীয়তা দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ

  • স্বতঃস্ফূর্ত নমনীয়তাঃ এটি কোনো নির্দিষ্ট নিয়মের বা কাঠামোর সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হয়ে নিজের মতো করে চিন্তা করার ক্ষমতা। এর ফলে ব্যক্তি যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজের মতো করে মানিয়ে নিতে পারে এবং নতুন কিছু উদ্ভাবন করতে পারে। 
  • অভিযোজনমূলক নমনীয়তাঃ অভিযোজনমূল নমনীয়তা হচ্ছে কোনো নির্দিষ্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। বর্তমান পরিবর্তনমূলক বিশ্বে টিকে থাকা এবং সফল হওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য গুণ।

৩. মৌলিকত্ব

মৌলিকত্ব হলো এমন একটি গুণ যা নিজে থেকে তৈরি হয়। অর্থাৎ, অন্য কারও কোনো কাজ বা গুণকে নকল না করে নিজ থেকে কিছু করা বা নিজের চিন্তার দ্বারা কিছু তৈরি করাকে মৌলিকত্ব বলে। 

৪. সম্প্রসারণ

সম্প্রসারণ বলতে একজন ব্যক্তি যখন কোনো একটি কাজ বা কোনো একটি ক্ষমতা সম্পর্কে সংকীর্ণভাবে না ভেবে এর বিস্তৃতরূপ নিয়ে ভাবে এমন অবস্থাকে বোঝায়। এর মাধ্যমে, একটি সমস্যার প্রাথমিক রূপরেখা থেকে সমস্যাটির পূর্ণাঙ্গ সমাধান বের করা যায়, অথবা সামান্য উপকরণ ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরি করা যায়। 

কীভাবে সৃজনশীলতা অর্জন করা যায়?

সৃজনশীলতা অর্জন করার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন ও প্রচেষ্টা। এটি পেশাগত এবং ব্যক্তিগত উভয় জীবনে সফলতা এনে দিতে পারে। এটি রাতারাতি অর্জিত হয় না, বরং এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। নিম্নে সৃজনশীলতা শেখার কয়েকটি উপায় দেওয়া হলোঃ

১. বই পড়ে

সৃজনশীলতা অর্জন করার জন্য একটি ভালো উপায় হচ্ছে বই পড়া। সাধারণত বই পড়ে ব্যক্তি ওই বইয়ের চরিত্রগুলোকে ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারে। ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কি করণীয় সে সম্পর্কে তার একটি ধারণা জন্মে। তাই বেশি বেশি বই পড়ার মাধ্যমে ব্যক্তির সৃজনশীলতা অর্জন করা সম্ভব। তবে অবশ্যই মনযোগী হয়ে বই পড়তে হবে। 

২. নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করে

সৃজনশীলতা বর্তমান পরিবর্তনশীল বিশ্বের জন্য একটি অপরিহার্য বিষয়। তাই একজন ব্যক্তি যখন সৃজনশীলভাবে চিন্তা করেন তখন তার মনে অনেক নেতিবাচক চিন্তা আসতে পারে। যেমন – সকলে তার এই ধারণা কিভাবে গ্রহন করবে, ইতিবাচক হবে কিনা ইত্যাদি। তাই একজন ব্যক্তি যখন ভালো কিছু করার জন্য অগ্রসর হবেন তখন তাকে নেতিবাচক চিন্তা পরিহার করতে হবে। নয়তো কাজটি কখনোই তার লক্ষ্যপানে পৌঁছাতেই পারবে না।

৩. নতুন কিছু জানার চেষ্টা 

পরিবর্তনশীল বিশ্বে এখন অনেক কিছুই ঘটছে। যা সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই জানা থাকা প্রয়োজন। তবেই এই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা আমাদের সৃজনশীলতাকে আরও উন্নত করতে পারব। 

৪. ডিজাইন থিংকিং সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখা

ডিজাইন এমন একটি পদ্ধতি যা গ্রাহক বা ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তাদের চাহিদানুযায়ী প্রত্যেকটি পণ্য বা সেবা তৈরি করে থাকে। এখানে ব্যবহারকারীর চাহিদা এবং তাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কাজ করা হয়। এখন প্রায় প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানেও এই ডিজাইন থিংকিং এর ধারণা ব্যবহার করা হয়। 

৫. নিয়মিত অনুশীলন

সৃজনশীলতা শেখার বিষয়টি  হচ্ছে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যদি সৃজনশীলতা শেখার জন্য আমরা কয়েকদিন চর্চা করেই বিরতি নিয়ে নিই তবে এটি যথাযথভাবে অর্জন করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক চর্চা ও গভীর অনুশীলন। উদাহরণস্বরূপ, দৈনন্দিন জীবনে আসা ছোট ছোট সমস্যাগুলো নিয়ে  ভাবা, এগুলোর সমাধান বের করা ইত্যাদি।

৬. সময়কে কাজে লাগানো

সময় হচ্ছে বহমান স্রোত। তাই এ সময়কে আলসেমি করে না কাটিয়ে তার যথাযথ ব্যবহার করতে হবে। এ সময়কে সৃজনশীলতা শেখার জন্য কাজে লাগানো যেতে পারে। যেমন – প্রতিদিনের রুটিনে কিছু সময় সৃজনশীলতার জন্য বরাদ্দ করা যেতে পারে।

৭. মাল্টিটাস্কিং এড়িয়ে চলা

কোনো একটি কাজ করার সময় বা সৃজনশীল কিছু ভাবার সময় অন্য কোনো কাজ করা বিরত থাকতে হবে, একটি কাজেই মনোযোগ দিতে হবে।এতে মস্তিষ্ক সেই কাজের জন্য দ্রুত কাজ করতে পারবে,চাপ ছাড়া কাজটি সম্পন্ন করা যাবে,নির্ভুলভাবে কাজটি শেষ হবে।

৮. ব্রেইনস্টর্মিং করা

কোন সমস্যার সমাধান বের করার জন্য দলগতভাবে প্রত্যেকের নিজ নিজ জ্ঞান, ধারণা, মতামত এবং আইডিয়া শেয়ারিং এর মাধ্যমে কার্যকরি আইডিয়া খুঁজে বের করার প্রক্রিয়াকেই Brainstorming বলা হয়। এটি কর্পোরেট বা শিক্ষাক্ষেত্রে সমস্যা সমাধান, নতুন পরিকল্পনা তৈরি, বা সৃজনশীল চিন্তাভাবনাকে উৎসাহিত করার জন্য বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি।

৯. মাইন্ড ম্যাপ তৈরি করা

মাইন্ড ম্যাপ হলো একটি ডায়াগ্রাম যা একটি মূল ধারণার চারপাশের তথ্যকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে দৃশ্যতভাবে সাজাতে সাহায্য করে। আরও সহজ ভাবে বলতে গেলে, মাইন্ড ম্যাপ হলো একটি রেখাচিত্র যা তথ্যকে একটি কেন্দ্রীয় ধারণা থেকে স্তরবিন্যাস অনুযায়ী দৃশ্যমান ভাবে সাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।এটি মূলত মস্তিষ্ক-উদ্দীপন এবং তথ্য সংগঠিত করার একটি পদ্ধতি।

কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতা কেনো গুরুত্বপূর্ন?

একুশ শতকে এসে প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান সৃজনশীল ধারণাকে ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, যেকোনো প্রতিষ্ঠানই এখন সৃজনশীল কর্মী খুঁজছে। কারণ পরিবর্তনশীল বিশ্বে সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য প্রয়োজন একজন দক্ষ সৃজনশীল কর্মী। নিম্নে কর্মক্ষেত্রে এর গুরুত্বগুলো তুলে ধরা হলো – 

১. উদ্ভাবনী কর্মপরিবেশ সৃষ্টি

যখন কোনো প্রতিষ্ঠান সৃজনশীল পদ্ধতিতে কাজ করে , তখন কর্মীদের মধ্যে ঝুঁকি নেওয়ার, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এবং ব্যর্থতা থেকে শেখার একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়। এটি একটি উদ্ভাবনী কর্মপরিবেশ গড়ে তোলে।

২. প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা

যে কোম্পানিগুলি সৃজনশীলতার সাথে কাজ করে, তারা প্রায়শই এমন অনন্য এবং ব্যবহাকারী-বান্ধব পণ্য বাজারে আনতে পারে যা তাদের প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেয়।

৩. নতুন অনেক কিছু শেখা যায়

কর্ম ক্ষেত্র্টিও  হচ্ছে  শেখার প্রতিষ্ঠান। তাই কিভাবে সফল হওয়া যায় সেই উপায় খুঁজতে গিয়ে কর্মীরা নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে শিখতে পারে। গ্রাহকদের প্রয়োজন এবং সমস্যা অনুযায়ী তার সমাধান বের করতে পারে। তাছাড়া কর্মক্ষেত্রের বাইরেও সে সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারে।

৪. লক্ষ্যার্জন নিশ্চিত করা

সৃজনশীলতার দক্ষতা কর্মীকে। লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। যেহেতু এখন সকল বিষয়ে সৃজনশীলতার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, তাই কেউ যদি সৃজনশীল মনোভাবাপন্ন না হয় তবে সে কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজ করতে পারবেন না এতে তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠান দুটোই তাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাবে। তাই প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সৃজনশীলতার গুরুত্ব অপরিসীম।

৫. চাকরিতে টিকে থাকা ও পদোন্নতি

কর্মক্ষেত্রে সমস্যা সমাধান এবং দলবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সৃজনশীললতা অপরিহার্য। পদোন্নতি এবং নেতৃত্বের অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য এই দক্ষতাটি বিশেষভাবে প্রয়োজন।

উপসংহার 

যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং অটোমেশন অনেক হার্ড স্কিল নির্ভর কাজ দখল করে নিচ্ছে, তখন মানুষের একান্ত মানবিক দক্ষতা, যেমন সহানুভূতি, সৃজনশীলতা, এবং সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতাই পেশাদারদের প্রধান পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। তাই, আজকের শিক্ষার্থী ও পেশাদারদের জন্য সচেতনভাবে সৃজনশীলতার  চর্চা করা কেবল একটি সুবিধা নয়, বরং সাফল্যের জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ। যেহেতু, সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে কর্ম পরিধি অত্যন্ত জটিল আকার ধারণ করছে, নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, গ্রাহকদের চাহিদার ধরন বদলাচ্ছে সেহেতু, সৃজনশীলতার দক্ষতা এখন ক্রমেই গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে।

সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

১. সৃজনশীলতা কী?

উত্তরঃ সৃজনশীলতা হলো মেধা ও মনন ব্যবহার করে নতুন কোনো ধারণা বা বস্তু তৈরি করার ক্ষমতা।

২. সৃজনশীলতার প্রধান উপাদানগুলো কী কী?

উত্তরঃ সৃজনশীলতার প্রধান উপাদানগুলি হল সাবলীলতা (Fluency), নমনীয়তা (Flexibility), মৌলিকত্ব (Originality), এবং সম্প্রসারণ (Elaboration)।

৩. সাবলীলতা কত প্রকার ?

উত্তরঃ সাবলীলতা ৪ প্রকার। 

৪. বই পড়ে সৃজনশীলতা শেখা সম্ভব?

উত্তরঃ হ্যাঁ সম্ভব। যদি সে বই পড়ার ক্ষেত্রে মনযোগী হয় এবং যা পড়েছে সেগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারে তবেই বই পরে সৃজনশীলতা শেখা সম্ভব।

৫. সৃজনশীলতা কেন জরুরী?

উত্তরঃ ব্যক্তি জীবনে সফলতা ও কর্মক্ষেত্রে লক্ষ্য অর্জন এর জন্য সৃজনশীলতার গুরুত্ব আবশ্যক।

৬. কর্মক্ষেত্র ছাড়াও কি সৃজনশীলতার প্রয়োজন রয়েছে?

উত্তরঃ হ্যাঁ। শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রেই নয় বরং জীবনে চলার পথে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে সৃজনশীলতার গুরুত্ব অপরিসীম।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

বাংলাদেশ–মিয়ানমার–চীন অর্থনৈতিক করিডোরঃ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত, নাকি নতুন চ্যালেঞ্জ?

লেখকঃ মুসাররাত খান চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে নিয়ে একটি অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় এসেছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত...

বাংলাদেশের ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে, বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা

ঢাকা: বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে আরও স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও কার্যকর করতে ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার (৪৫০ মিলিয়ন ডলার) অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এই অর্থায়ন ফাইন্যান্সিয়াল...

প্রথমবারের মতো স্বল্পমেয়াদি শরিয়াহভিত্তিক বিনিয়োগ সুকুক চালু করল সরকার

ঢাকা: দেশের ইসলামী অর্থায়ন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে প্রথমবারের মতো স্বল্পমেয়াদি শরিয়াহভিত্তিক বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ সুকুক (Short Term BGIS) চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ...

রপ্তানি আয় ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব: বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা: দেশের বার্ষিক রপ্তানি আয় বর্তমান প্রায় ৫০-৫৫ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ বশির উদ্দিন। মঙ্গলবার...