লেখকঃ ফারহানা হুসাইন
দেশের প্রথম শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (IBBPLC) এক বছরে গ্রাহকের আস্থা ও নির্ভরতার কারণে ৫০ লক্ষ নতুন গ্রাহক যুক্ত করেছে। ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা, এজেন্ট ব্যাংকিং এবং শাখা-ভিত্তিক সেবা এই সফলতায় বড় ভূমিকা রেখেছে। ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক এখন প্রায় ৪৭২টি উপজেলায় কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও সীমান্ত অঞ্চলে এই সেবা মানুষের আর্থিক সুবিধা বাড়াতে সাহায্য করছে।
ইসলামী ব্যাংক ১৯৮৩ সালে শুরু হয় ২৪% স্থানীয় শেয়ার এবং ৭৬% বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে। প্রথম দিন থেকেই ব্যাংক স্বচ্ছভাবে কর্মী নিয়োগ, বিনিয়োগ এবং স্বাধীন শরিয়াহ বোর্ড গঠন করেছে, যা ব্যাংকের এই অগ্রগতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
২৭ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১৬ এপ্রিল ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংকে ১৮ লাখ ২৬ হাজার ৬৫২ জন নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছে এবং ২৪,৩৮৮ কোটি টাকা নতুন আমানত জমা হয়েছে। মুদারাবা টার্ম ডিপোজিট, সঞ্চয়ী, স্পেশাল সেভিংস, হজ, বিয়ে এবং শিক্ষার্থী হিসাবেও বিভিন্ন সেবায় অনেক আমানত এসেছে।
এছাড়াও, ব্যাংকটি প্রবাসী রেমিট্যান্স আহরণ ও বিতরণে দেশের শীর্ষে রয়েছে। ২০২৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর ব্যাংককে “রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৬”-এ প্রথম স্থান দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণের জন্য ব্যাংককে এই সম্মাননা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ওমর ফারুক খান-কে ওসমানী মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে পুরস্কার তুলে দেন।
স্বচ্ছতা, শরিয়াহ নীতির অনুসরণ এবং বিভিন্ন সেবা দেওয়ার কারণে ইসলামী ব্যাংকের মোট গ্রাহক সংখ্যা এখন প্রায় ৩ কোটি। এটি দেশের অন্যতম বড় শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ব্যাংকের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।
আরো পড়ুনঃ দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে নতুন আমানত ৪৪ কোটি টাকা
আরো পড়ুনঃ ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে দ্রুত বেড়ে উঠবে যেসব ইন্ডাস্ট্রি
তথ্যসূত্র-





