দেশের এলপিজি গ্যাস বাজারে দীর্ঘদিনের মূল্য বৈষম্য ও সিন্ডিকেট কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নীরবে কিন্তু কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। সরকারি নির্ধারণ অনুযায়ী ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১,৩০৬ টাকা হলেও ভোক্তা পর্যায়ে তা ২,০০০ থেকে ২,২০০ টাকায় বিক্রি হওয়ার অভিযোগের পর নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
বাজার তদারকি ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ঢাকা মহানগর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (মেট্রো-১) মো. আব্দুল জব্বার মণ্ডল। এলপিজি সরবরাহ চেইনের বিভিন্ন স্তরে মূল্য ব্যবধান কোথায় সৃষ্টি হচ্ছে, তা চিহ্নিত করতে নিয়মিত মনিটরিং ও তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিকাশ চন্দ্র দাস-এর নেতৃত্বে নীতিগত সমন্বয়, অভিযোগ যাচাই এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অতিরিক্ত দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছেন উপপরিচালক আফরোজা হোসেন। ভোক্তা ও ব্যবসায়ী—উভয় পক্ষকে সরকারি মূল্য কাঠামো সম্পর্কে অবহিত করা এবং আইন মানতে উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলপিজি গ্যাসের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে সিন্ডিকেট ভাঙতে কেবল অভিযান নয়, বরং ধারাবাহিক নজরদারি ও সমন্বিত প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি। ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় চলমান এই কার্যক্রম বাজারে স্বচ্ছতা ফেরাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।



