সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং বাজারে সরবরাহকৃত নমুনা টাকা প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (যেমন: ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউব) বেশ কিছু ভিডিওচিত্র /ছবি পরিলক্ষিত হয় যেখানে আসল নোটের ডিজাইন ও আকারের অনুরূপ কখনো আসন নোটের তুলনায় বড় আকারের “নমুনা নেট ব্যবহার করে নিজস্ব মার্কেটিং প্রচারণা চালানো বা কন্টেন্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে।
এছাড়া, বাস্তবতা বা উন্মুক্ত স্থানে আসল টাকার আসলে তৈরি কাগজ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক মারণা পরিচালনার ঘটনাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকার জাল নোটের প্রচলন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সামগ্রিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করে।
প্রসকত উল্লেখ্য, মাসল নোট সদৃশ কাগজ তৈরি, প্রচার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও চিত্র প্রস্তুতপূর্বক প্ৰদৰ্শন আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪৮৯(৩) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান যদি এর নথি, কা বা বস্তু প্রস্তুত, ব্যবহার বা বিতরণ করে যা এলান থাকা ব্যাংক নোট সদৃশ এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে সক্ষম, তবে তা লক্ষনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং উক্ত বাকি।প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একইসাথে ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা গুজবমূলক তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২০ এর ধারা ২০ অনুসারে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ গ্রেভিতে, জনসাধারণকে জাল নোট প্রচলন তা অবলম্বনের পাশাপাশি এরূপ বিকির কন্টেন্ট তৈরি এবং অননুমোদিত কর্মকার সংঘটন ও প্রচারণা থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ প্রদান করা যাচ্ছে। বা আসল নোট চিলুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন।



