লেখকঃ নুজহাত জাহান নিহান
বাংলাদেশ এখন থেকে পাকিস্তানের করাচি বন্দর ব্যবহার করতে পারবে এমন ঘোষণা এসেছে দুই দেশের নবম যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জেইসি) বৈঠকে। দীর্ঘ ২০ বছর পর অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা জোরদারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আর পাকিস্তানের পক্ষে অংশ নেন জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক। বৈঠকে কৃষি গবেষণা, তথ্যপ্রযুক্তি, হালাল ফুড, নৌপরিবহন এবং শিক্ষা খাতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাকিস্তানি বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, বাংলাদেশ চাইলে চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে করাচি বন্দর ট্রাস্ট (কেপিটি) ব্যবহার করতে পারবে।
বৈঠক শেষে ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ দুই যুগ পর এই সভা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আজকের বৈঠকে কৃষি, বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও খাদ্য খাত নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।”
পাকিস্তানের জ্বালানিমন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক বলেন, “এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। বাংলাদেশ থেকে পাট ও ওষুধ আমদানির সম্ভাবনাও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।”
দুই দেশের প্রতিনিধিরা একমত হয়েছেন যে, ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক আয়োজনের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা হবে।
Source – The Daily Ittefaq





