লেখকঃ নিশি আক্তার
জিএসএমএ-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, স্পেকট্রাম ফি ও করের চাপ কমানো গেলে বাংলাদেশ ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশ চলে যাচ্ছে এসব খাতে, যা ৫জি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ সংযোগে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নতুন ডিজিটাল যুগের সুযোগ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পেকট্রাম ফি ও করের জটিলতা কমানো গেলে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পৌঁছে যাবে। এতে তরুণ প্রজন্ম ও ব্যবসায়িক খাত উভয়ই উপকৃত হবে, এবং বাংলাদেশ এগোবে ট্রিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল অর্থনীতির লক্ষ্যে।
রিপোর্টের মূল সুপারিশ
- এশিয়া-প্যাসিফিক গড়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্পেকট্রাম ফি নির্ধারণ
- ৭০০ মেগাহার্টজ ও ৩.৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে দ্রুত বরাদ্দ
- কর ও লেভি সহজীকরণ
- লাইসেন্স শর্ত আরও নমনীয় করা
সম্ভাব্য ফলাফল
রিপোর্টে বলা হয়েছে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে—
- গড়ে ইন্টারনেট ডাউনলোড স্পিড ১৭–২২% পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে
- ৫জি কভারেজ পৌঁছাবে প্রায় সব নাগরিকের কাছে
- অর্থনীতি পাবে নতুন প্রবৃদ্ধির ধারা
উপসংহার
বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও 5G সম্প্রসারণ বড় ভূমিকা রাখবে। কিন্তু উচ্চ স্পেকট্রাম ফি ও কর সেই উন্নয়নকে ধীর করছে। জিএসএমএ’র প্রস্তাবিত সংস্কার বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিটি নাগরিক সাশ্রয়ী ও দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক সুবিধা পাবেন। এতে শুধু টেলিকম খাত নয়, শিক্ষা, ব্যবসা ও সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে, এবং বাংলাদেশ এগোবে ট্রিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল অর্থনীতির লক্ষ্যের দিকে।
তথ্যসূত্র: জিএসএমএ রিপোর্ট



